শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
শীতের সবজিতেও ফেরেনি স্বস্তি। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ ভাল থাকলেও দাম কিছুটা বাড়তি। সরবরাহ কমের অজুহাতে দাম বাড়তি তেল, আটা ও চিনির। দাম নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকির দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।
মৌসুমের শুরুতেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে হরেক রকমের শীতের সবজি। চট্টগ্রামে দুই সপ্তাহ আগে সবজির দাম বেশি থাকলেও এখনও তা অনেকটাই কম। একই সাথে কমেছে ডিম ও মুরগির দাম। তবে দাম বাড়তি তেল, আটা, চিনিসহ বেশিরভাগ মুদি সামগ্রীর।
একই অবস্থা রাজশাহীতেও। সরবরাহ বেশি থাকায় দাম কমেছে বেশির ভাগ সবজির। ডিম ও মুরগির দাম কমায় স্বস্তিতে সাধারণ ক্রেতারা।
তবে বগুড়ার বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেশি হলেও দাম চড়া। বিক্রেতারা বলছেন, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সবজির চাহিদা থাকায় দাম এখনো বাড়তি।
খুলনায় খুচরা বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে ১১৫ টাকায়। গত সপ্তাহে দাম ছিল ১১০ টাকা। বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেশি থাকায় কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে।
সিলেটের বাজারেও বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য। এছাড়াও মসুর ডাল ও বিভিন্ন ধরনের মসলার দামও উর্ধ্বমুখী।
দাম বাড়ানোর পরও রাজধানীর বাজারে সরবরাহ সংকট কাটেনি চিনির। বিক্রিও হচ্ছে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে। চালের দামও কেজিতে বেড়েছে ১ থেকে ২ টাকা।
সরবরাহ সংকট, বিশ্ববাজারে অস্থিরতাসহ নানা কারণ দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে নিত্যপণ্যের। সপ্তাহখানেক চিনির কেজিতে ১৩ টাকা বাড়িয়ে ১০৮ টাকা দাম নির্ধারণ করা হয়। তবে এরপরও সংকট কাটেনি বাজারে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারেও সব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে না চিনি। যেসব দোকানে পাওয়া যাচ্ছে সেখানেও সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে কেজিতে ১০-১৫ টাকা বেশি গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। সংকট না থাকলেও কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বাড়তি চালের দাম।
রাজধানীতে চাল-চিনির দাম বাড়তির দিকে থাকলেও সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে নির্ধারিত দামেই। স্থিতিশীল রয়েছে ডাল, পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ সব ধরনের মসলার দাম।
এদিকে, রাজধানীতে সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কমেছে কেজিতে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত। ডিমের ডজনে ৫ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকায়। মুরগির দাম কেজিতে কমেছে ১০-২০ টাকা। বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।